মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস

এটি ভূমি জরিপ কার্যক্রমের মাঠ পর্যায়ের স্থায়ী অফিস। এখনও বাংলাদেশের প্রতিটি  উপজেলায় সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয় নেই। বর্তমানে ১০টি বৃহত্তর জেলায় (যশোর, খুলনা, ফরিদপুর,বরিশাল, বগুড়া, রংপুর, সিলেট, টাংগাইল, কুমিল্লা ও নোয়াখালী) জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের অধীন ৩৭টি জেলায় ২৬০টি উপজেলার মধ্যে ২০৯টি উপজেলায় স্থায়ী সেট-আপ বা স্থায়ী কাঠামোভুক্ত এই অফিস রয়েছে। এই অফিস ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ও ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের অধীন জোনাল সেটেলমেন্ট অফিসের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

 

  • কী সেবা কীভাবে পাবেন
  • প্রদেয় সেবাসমুহের তালিকা
  • সিটিজেন চার্টার
  • সাধারণ তথ্য
  • সাংগঠনিক কাঠামো
  • কর্মকর্তাবৃন্দ
  • তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা
  • কর্মচারীবৃন্দ
  • বিজ্ঞপ্তি
  • ডাউনলোড
  • আইন ও সার্কুলার
  • ফটোগ্যালারি
  • প্রকল্পসমূহ
  • যোগাযোগ

সেবা ও সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা

 

ক্রমিক নং

সেবা

সেবা প্রদান / প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অসুবিধাসমূহ

নাগরিক পর্যায়

সরকারী পর্যায়

০১.

ভূমি নকশা ও রেকর্ড হালনাগাদকরণ:

 

ক) নকশা প্রস্তুতি:

(ক্যাডাস্ট্রাল সার্ভে)

ভূমি মালিকগণ অনেক সময় মাঠ জরিপ (নকশা প্রস্তুতির সময়) কাজে উপস্থিত থাকতে পারেন না বিধায় সঠিক নকশা প্রস্তুতিতে অসুবিধা হয়।

তৃণমূল পর্যায়ে জরিপভুক্ত মৌজার প্রতিটি ভূমি মালিককে  ভূমি জরিপ কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিতকরণে যথেষ্ট প্রচার প্রচারণা চালানো সম্ভব হয়না। বিশেষভাবে চরাঞ্চলের ভূমি মালিকগণ দূরবর্তী এলাকায় অবস্থান করেন বিধায় তাদের সময়মত অবহিত করানো যায় না।

 

খ) রেকর্ড প্রস্তুতি:

   (খানাপুরী)

সঠিক সময় মালিকানার সঠিক ও প্রয়োজনীয় দলিলপত্র উপস্থাপন করতে না পারা।

রেকর্ড প্রস্তুতির মুহূর্তে তাৎক্ষণিক ভাবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রাপ্তির সরকারী পর্যায়ে দীর্ঘসূত্রিতা।

 

গ) বুঝারত:

অসচেতনতা, অজ্ঞতা, অনুপস্থিতি

 

ঘ) তসদিক:

  (এটেস্টেশন)

 

ঙ) খসড়া প্রকাশনা ও আপত্তি মামলা দায়ের:

বিভিন্ন কারণে খসড়া প্রকাশনাকালিন নির্দিষ্ট সময়ে শতভাগ ভূমি মালিকের হাজির হতে না পারা। ফলে প্রয়োজনে সময়মত আপত্তি মামলা দায়ের করতে না পারা।

বিধি মোতাবেক ৩০ কাযর্দিবস খসড়া প্রকাশনার সময় বর্তমান প্রেক্ষাপটে কম। তবে প্রয়োজনানুযায়ী সময় বৃদ্ধি করা যায়।

 

চ) আপত্তি মামলা শুনানি:

পক্ষগণের নির্ধারিত তারিখে নোটিশ প্রাপ্তিতে সমস্যার কারণে হাজির হতে না পারা। কখনও নোটিশ গ্রহণে অনিহা/ গ্রহণ না করা/ গরহাজির

বর্তমানে ভূমি জরিপে মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতা বেশী হওয়ায় কেস সংখ্যা বেশী। তবে সে অনুপাতে জনবল বৃদ্ধি পায়নি বিধায় সময়মত নোটিশ জারী করায় সমস্যা হয়।অবকাঠামো/ প্রযুক্তিগত /নিরাপত্তা সমস্যা সংক্রান্ত

 

ছ) আপীল মামলা শুনানি:

 

জ) চূড়ান্ত প্রকাশনা:

বিভিন্ন কারণে চূড়ান্ত প্রকাশনাকালিন নির্দিষ্ট সময়ে শতভাগ ভূমি মালিকের হাজির হতে না পারা। ফলে ছাপাজনিত, করণীক কিংবা নকশা সংশোধন সংক্রান্ত  কোন সমস্যা হলে প্রয়োজনে আবেদন দাখিল দায়ের করতে না পারা।

বিধি মোতাবেক ৩০ কার্যদিবস চূড়ান্ত প্রকাশনার সময় বর্তমান প্রেক্ষাপটে কম। তবে প্রয়োজনানুযায়ী সময় বৃদ্ধি করা যায়।

ভূমিমালিকগণকে সেবাপ্রাপ্তি সম্পর্কে সচেতন করা দরকার।

মুদ্রণে নিযুক্ত ব্যাক্তিগণের রেকর্ড প্রস্তুতের প্রক্রিয়া ও ফরমেট সম্পর্কে ধারণার স্বল্পতা

ছবি নাম মোবাইল
মোহাম্মদ নুরনবী ০১৭১১৯৭১৯৩৬

ছবি নাম মোবাইল
মোহাম্মদ নুরনবী ০১৭১১৯৭১৯৩৬

ছবি নাম মোবাইল

ক্রমিক নং

প্রদেয় সেবার বিবরণ

সেবা প্রদান সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র ও ফি

সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি

সেবার মানদন্ড

সেবা দান পদ্ধতি

1.       

জরিপ কাজ গুরুর  পূর্বে স্থানীয় এলাকায় মাইকিং ও পত্রিকা বিজ্ঞাপনসহ ভূমি মালিকগণের মধ্যে ব্যাপক গণসংযোগ এবং জমির আইল/ সীমানা চিহ্নিত করার জন্য অবহিত করা হয়।

সংশ্লিষ্ট ভূমির কাগজপত্র, খাজনার দাখিলা ইত্যাদি প্রদর্শন করে মৌসুমী আমিনকে সহায়তা করা। এ পর্যায়ে কোন সরকারী ফিস লাগেনা।

S.S মানুয়েল- 1935 SA & T Act 1950 EBT Rules 1954-55 Tchnical Rules 1957 ইত্যাদি বিধি মোতাবেক কাজ পরিচালনা করা হয়।

প্রতিটি ভূমির প্লটে দিয়ে প্লটের এরিয়া নির্ণয় করা এবং এবং দখল নোট করা হয়। পরিবার ভিত্তিক খতিয়ান প্রস্তুত করা হয়।

সরজমিন মোতবেক সংশ্লিষ্ট ভূমির মালিকে একটি খসড়া খতিয়ান সরবরাহ করা হয়।

2.       

বর্তমান ডিজিটাল পদ্ধতিতে জরিপ কাজ পরিচালার জন্য সরকারী সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। এ পদ্ধতিতে কিস্তোয়ার, খানাপুরী ও বুজারত কাজ একই সাথে সম্পন্ন করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

সংশ্লিষ্ট ভূমির কাগজপত্র, খাজনার দাখিলা ইত্যাদি প্রদর্শন করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা/ কর্মচারীকে সহায়তা করা। এ পর্যায়ে কোন সরকারী ফিস লাগেনা।

ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্লটে গিয়ে প্লটের এরিয়া নির্ণয় করা এবং দখল নোট করা হয়। পরিবার ভিত্তিক খতিয়অন প্রস্তুত করে ভূমি মালিকগণের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

প্রতিটি ভূমির প্লটে গিয়ে প্লটের এরিয়া নির্ণয় করা এবং দখল নোট করা হয়। পরিবার ভিত্তিক খতিয়ান প্রস্তুত করে ভূমি মালিকগণের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

পরিবার ভিত্তিক খতিয়ান প্রস্তুত করে ভূমি মালিকগণের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

3.       

তসদিক পর্যায়ের কাজ আরম্ভ করার পূর্বে সকল অপিস আদালত স্থানীয় স্কুল/মসজিদ/মাদ্রাসাসহ সকল প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রচারনার পর উক্ত স্তরের কাজ শুরু করা হয়।

এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ভূমি মালিককে তার ভূমি সংক্রান্ত দলিল/দস্তাবেজ/ খাজনার দাখিলাসহ মাঠ পর্যায়ে প্রাপ্ত খতিয়ানসহ নির্ধারিত তারিখে উপস্থিত হতে হয়।  এ পর্যায়ে কোন ফিস প্রয়োজন হয় না।

প্রজাস্বত্ব বিধিমালায় 1955 এর 28 নং বিধি মোতাবেক একজন রাজস্ব ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সকল কাগজপত্র পরীক্ষা/নিরিক্ষা করে তাসদিক কার্য সম্পাদন করেন।

একজন রাজস্ব ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সকল কাগজপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করে এ পর্যায়ের খতিয়ানটি সত্যায়ন করেন।

উক্ত কাজটি তসদিক কর্মকর্তা দ্বারা সম্পন্ন করা হয়।

4.       

তসদিক সমাপ্তির পর তসদিক কাজটি যথাযথভাবে সম্পন্ন হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য 30 কার্যদিবস নাগরিকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

উক্ত সময়ে সংশ্লিষ্ট নাগরিক তসদিককৃত খতিয়ানটি অফিসে রক্ষিত মূল ভলিউমের সাথে মিলিয়ে নিতে পারেন। কোন প্রকার ভুল/ভ্রান্তি দেখা দিলে তা সংশোধণের জন্য আপত্তি দাখিলের ব্যবস্থা নিবেন এবং 20/- টাকার কোর্ট ফিসহ আবেদন করতে হবে।

প্রজাস্বত্ব বিধিমালার 30 বিধি মোতাবেক একজন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার এর ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শুনানী দিয়ে নিষ্পত্তি করেন। সংশ্লিষ্টদেরকে নোটিশের মাধ্যমে অবগতি করানো হয়।

আপত্তি মামলা নিষ্পত্তির পর কোন পক্ষ সংক্ষুব্দ হলে আপত্তি মামলার সহি মোহরাব নকল নিয়ে পরবর্তী স্তরের আশ্রয় নেয়া যায়।

নির্ধারিত কোর্ট ফি জমা দিয়ে নির্ধারিত ফরমে আপত্তি দাখিল করলে অফিস হতে সংশ্লিষ্ট নাগরিককে একটি রিসিট প্রদান করা হয়ে থাকে।

5.       

আপত্তির রায়ে সংক্ষুব্দ নাগরিক আপত্তি মামলার রায়ের কপি সংগ্রহ করে 31 বিধি মোতবেক আপীল মামলা দায়ের করবেন

আপীল অপিসার অর্থাৎ সিনিয়র সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার আপীল মামলার পক্ষগনকে নোটিশ  দিয়ে কাগজপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করে মামলা নিষ্পত্তি করবেন। আপীল মামলা দায়ের করতে আপত্তির রায়ের সহি মোহরাব নকল নির্ধারিত ফরমে আবেদন ও 20/- টাকার কোর্ট ফি দিতে হবে।

প্রজাস্বত্ব বিধিমালা 1955 এর 31 বিধিমতে দায়েরকৃত আপীল মামলা নিষ্পত্তি করা হয়।

আপীল অফিসার পক্ষগনকে দলিল/দস্তবেজের /দখল ইত্যাদি পুঙ্খানুপুংখ্যভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে নিষ্পত্তি করে থাকেন।

আপীল নিষ্পত্তির পর পক্ষগন মামলার রায়ের কপি প্রাপ্তির জন্য 10/- টাকার কোর্ট ফি ও ফলিও দিয়ে আবেদন করে সহি মোহরার নকল সরবরাহ করা হয়। যাহা কোর্ট ফি আকারে নিম্নলিখিতভাবে গ্রহন করা হয়।

ক. আবেদনপত্র- 10.00

খ. নকল (শব্দ)

001

360

2.50

361

720

5.00

721

1081

7.50

1082

1440

10.00

1441

1800

12.50

1801

2160

15.00

2161

2520

17.50

2521

2880

20.00

 

6.       

31 সমাপ্তির পর চুড়ান্ত যাঁচ শেষে মুদ্রণের জন্য প্রেসে প্রেরণ করা হয়। প্রেস হতে রেকর্ড নকশা প্রাপ্তির পর তা জনগণের মধ্যে বিতরন করা হয়।

এক্ষেত্রে কোন কাগজপত্র প্রয়োজন হয় না। এক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত প্রতিটি মুদ্রিত খতিয়ান 60/- এবং প্রতিটি মুদ্রিত নকশা 350/- টাকা জমা দিয়ে অফিস থেকে সংগ্রহ করা যায়।

প্রজাস্বত্ব বিধিমালার 1955 এর 34 বিধি মোতাবেক উক্ত কাজ সম্পন্ন করা হয়।

এক্ষেত্রে ভূমি মালিকগণকে তাদের নিকট রক্ষিত হয়ে মুদ্রিত খতিয়ান ও নকশা গ্রহন করতে হয়।

এক্ষেত্রে একজন সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের স্বাক্ষরে বর্ণিত খতিয়ান ও নকশা সরবরাহ করা হয়।

উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরে পুরাতন আদালত ভবনে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিস অবস্থিত।

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়

কোম্পানীগঞ্জ,নোয়াখালী

মোবাইল নং : ০১৭১১৯৭১৯৩৬

উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসারের কার্যালয়

কোম্পানীগঞ্জ,নোয়াখালী

মোবাইল নং : ০১৭১১৯৭১৯৩৬